রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
add

আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় পিছিয়ে ৮ ডিসেম্বর

রিপোটারের নাম / ৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২১
nagoriknewsbd/photo

 

এনএনবিডেক্স: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় পিছিয়ে ৮ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেছে আদালত। রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান রায় পেছানোর এ আদেশ দেন।

এ সময় বিচারক বলেন, যেহেতু এ মামলার অনেক আসামি সেহেতু রায় প্রস্তুত করতে একটু সময় লাগছে। সেজন্য আজকে রায় ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। তাই আগামী ৮ ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করা হবে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর আবু আব্দুল্লাহ।

 

এর আগে আবরার হত্যা মামলার ২২ আসামিকে আদালতে আনা হয়। এছাড়া নিহত আবরারের পরিবার সদস্যরা আদালতে উপস্থিত হন। উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন বিচারক।

 

এদিকে রায় ঘিরে সকােল থেকেই পুরান ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তুলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। রোববার ভোর থেকেই এই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

 

আদালত সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত দুই প্লাটুন পুলিশ। এছাড়া সড়কের যানবাহন চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

 

গত ১৪ নভেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মামলার রায় ঘোষণার জন্য ২৮ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। এ মামলায় মোট ৪৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

 

আবরার হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবু আবদুল্লাহ ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, মামলায় ২৫ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন তারা।২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

 

২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং এর বাইরে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আরও ছয় জন জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জন ও এজাহারের বাইরে থাকা ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনসহ মোট ২২ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক রয়েছেন তিনজন। অভিযোগপত্রে ৬০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। ২১টি আলামত ও আটটি জব্দ তালিকা আদালতে জমা দেয়া হয়েছে।

 

এজাহারে থাকা আসামিরা হলেন, মেহেদী হাসান রাসেল, অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মেহেদী হাসান রবিন, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুল ইসলাম, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদুজ্জামান জিসান ও এহতেশামুল রাব্বি তানিম।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ