শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কর্মজীবী নারীদের কর্মঘণ্টা আট ঘণ্টা থেকে কমিয়ে পাঁচ ঘণ্টা করার দাবিকে রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে আখ্যায়িত
উপদেশটার মত: জামায়াতে ইসলামীর এই দাবিকে তিনি স্পষ্টতই ‘রাজনৈতিক স্লোগান’ হিসেবে দেখছেন, যা নির্বাচনকে সামনে রেখে দেওয়া হয়েছে।
তাৎক্ষণিকতা ও বাস্তবতা: তিনি বলেন, ক্ষমতায় না থাকলে অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া যায়, যেমন বিরিয়ানি খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে ‘ফান্ড নেই’ বলে এড়িয়ে যাওয়া হয়। এটি প্রত্যেক রাজনৈতিক দলেরই নতুন নতুন স্লোগান দেওয়ার একটি অংশ।
নারী শ্রমিকদের ভোট এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ
ভোটের ফল: উপদেষ্টা মন্তব্য করেন যে, নারী শ্রমিকরা যদি এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে তাদের ভোট দেন, তবে তাঁর কিছু বলার নেই।
ক্ষমতায় আসার পর বাস্তবতা: তিনি ইঙ্গিত দেন যে ভোট পাওয়ার পর যারা চেয়ারে বসবেন, তারা তখন মাঠের লোক থাকবেন না। তখন তাদের বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে এবং এসব প্রতিশ্রুতি পূরণ করা কঠিন হবে।
গুরুত্ব আরোপ: উপদেষ্টা মনে করেন, সাংবাদিকরা ছাড়া অন্য কেউ জামায়াত আমীরের এই বক্তব্যকে সিরিয়াসলি নিয়েছে বলে তাঁর মনে হয় না। তিনি ব্যঙ্গ করে বলেন, নির্বাচনের আগে বুড়িগঙ্গা নদীকে দুধের নদী বানানোর বা ঘরে বসে থাকার পরও খাবার পাওয়ার মতো নানা অবাস্তব স্লোগান আসে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা জামায়াতে ইসলামীর নারীদের কর্মঘণ্টা কমানোর দাবিকে একটি নির্বাচনকেন্দ্রিক অবাস্তব ও সস্তা রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন।