বুধবার (১৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পার-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে এ আদেশ জারির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বদলি করা দুই কর্মকর্তাকে আগামী ২৪ আগস্টের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে ২৫ আগস্ট থেকে তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য করা হবে।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পান ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তার দায়িত্বকালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য সহকারীসহ ১৭১টি পদে নিয়োগ পরীক্ষাকে ঘিরে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।
ওই নিয়োগ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের সময়মতো এসএমএস না পাওয়া, ওএমআর শিট পূরণ নিয়ে বিভ্রান্তি এবং পরীক্ষা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফল প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এসব ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সমালোচনা হয়।
এ ছাড়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে সিভিল সার্জনের নাম ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছিল। অভিযোগটি জানাজানি হওয়ার পর বিষয়টি কার্যালয়ের ভেতরে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন নিয়েও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ ছিল।
তবে এসব অভিযোগের কোনোটির সঙ্গে বর্তমান বদলি আদেশের সরাসরি সম্পর্ক প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়নি। প্রজ্ঞাপনে কর্মকর্তাদের বদলির কারণ হিসেবে শুধু ‘জনস্বার্থ’ উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে নতুন সিভিল সার্জন হিসেবে চলতি দায়িত্ব পাওয়া ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান আগামী ২৪ আগস্টের মধ্যে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।








