সোমবার (২৪ নভেম্বর) প্রকাশিত ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন- দেশের দীর্ঘমেয়াদি ও জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এমন একটি সরকার নিচ্ছে, যার কোনো নির্বাচনী জনসমর্থন নেই। অথচ এসব সিদ্ধান্তের পরিণতি বছরের পর বছর সাধারণ মানুষকেই বহন করতে হবে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) প্রকাশিত ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন- দেশের দীর্ঘমেয়াদি ও জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এমন একটি সরকার নিচ্ছে, যার কোনো নির্বাচনী জনসমর্থন নেই। অথচ এসব সিদ্ধান্তের পরিণতি বছরের পর বছর সাধারণ মানুষকেই বহন করতে হবে।
একইভাবে তিনি উল্লেখ করেন নারায়ণগঞ্জের এক তরুণীর পরিবারের সংকটের কথা, যাদের আয়ের বড় অংশ নির্ভর করে ওভারটাইমের ওপর। রপ্তানিতে চাপ বাড়লে প্রথমেই ওভারটাইম কমে, এরপর পালা কাটে, শেষে চাকরিও হারানোর ঝুঁকি দেখা দেয়- এ নীরব সংকট কীভাবে লাখো মানুষের জীবনে আঘাত হানে, তা লেখায় তুলে ধরেন তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকার বলছে, এলডিসি উত্তরণের সময় পিছিয়ে নেওয়া যাবে না, জাতিসংঘ এটি অপমানজনক মনে করবে। কিন্তু বাস্তবে অ্যাঙ্গোলা, সামোয়ার মতো দেশ সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ করেছে। এমনকি অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর ক্ষেত্রেও জাতিসংঘ নমনীয়তা দেখিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে সাম্প্রতিক দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্তগুলোও তিনি একইভাবে দেখছেন।
তিনি স্পষ্ট করে জানান- এটি কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়; বরং দেশের প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক আদর্শ রক্ষার প্রশ্ন। এলডিসি উত্তরণ বা বন্দর সংস্কারের বিরোধিতা বিএনপি করছে না; প্রশ্ন হলো, জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় এমন একটি সরকার দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার রাখে কি না।
পোস্টের শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনোই নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদাসীন নয়। তারা সম্মান, অংশগ্রহণ এবং নিজের কণ্ঠের মূল্য দিতে চায়। সেই কারণেই তিনি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন। তিনি লেখেন-
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণের জন্য কথা বলার, নির্বাচন করার এবং একটি সহজ সত্য পুনর্ব্যক্ত করার সুযোগ- এ দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অধিকার শুধু তাদেরই, যারা এখানে বাস করে এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এ বিশ্বাস করে।