নবম জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫-এর সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন নিয়ে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা দূর করার দাবিতে অর্থ উপদেষ্টার দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছে সরকারি কর্মচারীদের একটি সংগঠন। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, বেতন কমিশনের সুপারিশ চূড়ান্তকরণ পর্যায়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় সরকারি গণকর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ব্যাহত হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের সীমাহীন ঊর্ধ্বগতিতে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়ায় তাঁদের মধ্যে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।
স্মারকলিপিতে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ-এর পক্ষ থেকে বেতন বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে কিছু সুনির্দিষ্ট দাবি পেশ করা হয়েছে:
গ্রেড রূপান্তর: বর্তমানে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড ভেঙে ১০টি ধাপে রূপান্তর করা।
বেতন নির্ধারণ: ১ অনুপাত ৪ হারে বেতন নির্ধারণ করা, যা তাঁদের মতে যথার্থ হবে।
অন্যান্য দাবি:
সচিবালয় ভাতা বাস্তবায়ন।
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন।
সচিবালয় রেশন ভাতা চালু করা।
স্মারকলিপিতে স্বাক্ষরকারী সংগঠনের মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা পূরণে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে:
প্রজ্ঞাপন জারি: সরকারি কর্মচারীরা চান ডিসেম্বরের মধ্যে বেতন কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নের প্রজ্ঞাপন জারি করা হোক।
গেজেট প্রকাশ: আগামী ১ জানুয়ারির মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে হবে।
কর্মসূচি: এই দাবিগুলো না মানা হলে আগামী ১০ জানুয়ারি কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
ইতিমধ্যে, সরকারি কর্মচারীরা তাঁদের দাবি বাস্তবায়নের প্রত্যাশায় ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর/পরিদপ্তরে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।