1. admin@nagoriknewsbd.com : admin :
  2. nagoriknewsctg@gmail.com : Kamrul Hossain : Kamrul Hossain
  3. hossainkamrul92@gmail.com : Kamrul Hossain : Kamrul Hossain
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নান্দনিক স্থাপনায় ফুটে উঠেছে বুদ্ধের শান্তি ও মানবতার বার্তা শারদ সম্মাননা ২০২৬: চট্টগ্রামে সেরা ৫ পূজামণ্ডপ নির্বাচিত পূর্ব বাকলিয়ায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলা ও বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী চট্টগ্রাম বন্দরের শিপিং শাখায় আরিফের অপকর্মের পাহাড় ঘুষ লেনদেন, সরকারি কোয়ার্টার সাবলেট ও ভুয়া জ্বালানি বিল তোলার অভিযোগ চট্টগ্রাম বনবিভাগে বেপরোয়া দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি: ভেঙে পড়ছে শৃঙ্খলা জামালপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত সুফল প্রকল্পে দেড় কোটির অনিয়ম: বন কর্মকর্তা উম্মে হাবিবাসহ একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের কাছে তদন্তের দাবি ‘আমি একা খাইনি’ লোকমানের স্বীকারোক্তিতে তোলপাড় চট্টগ্রাম এলএ শাখা স্প্রিং-২০২৭ থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক প্রোগ্রাম চালু করছে ইউসিটিসি পটিয়া ভূমি অফিসে-সরকারি গোপন নথি কেনাবেচায় কোটিপতি ফরহাদ

ইমপোর্ট কুরিয়ার সেকশন থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে: বেবিচক চেয়ারম্যান

রিপোটারের নাম
  • মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো শাখায় লাগা ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত ইমপোর্ট কুরিয়ার সেকশন থেকে হতে পারে বলে ধারণা করছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে কুর্মিটোলায় বেবিচক সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ধারণার কথা জানান।

মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, ১৮ অক্টোবর আনুমানিক দুপুর ২টা ১৫ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমপোর্ট কার্গো টার্মিনালে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। প্রথমে আমরা টাওয়ার থেকে ধোঁয়া দেখতে পাই।

সঙ্গে সঙ্গে আমাদের অভ্যন্তরীণ ফায়ার সার্ভিসসহ আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। ধারণা করা হচ্ছে, আগুনের সূত্রপাত হয় ইমপোর্ট কুরিয়ার সেকশন থেকে।

আগুনটা খুবই ভয়াবহ ছিল। তারপর আল্লাহর কাছে শুকরিয়া কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সবার প্রচেষ্টা ছিল আগুন যাতে ইমপোর্ট কার্গো টার্মিনালের বাইরে না যায়। কারণ এর উত্তর পাশে বিমানের মেইনটেনেন্সের হ্যাঙার ছিল, দক্ষিণ পাশে আমাদের মূল টার্মিনাল বিল্ডিং ছিল। সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতো।

মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে ৩০ সেকেন্ডের ভেতর আমাদের নিজস্ব ফায়ার ফাইটাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পাশাপাশি আমরা ঢাকা শহরের অন্যান্য ফায়ার স্টেশনগুলো থেকে সহযোগিতা চাওয়া শুরু করি। ২০ মিনিটের মধ্যে বিমান বাহিনীর দুটি ঘাঁটি থেকে চারটি আগুন নেভানোর গাড়ি আসে। পরে নৌ-বাহিনী থেকেও একটি আগুন নেভানোর গাড়ি পাঠানো হয়। সেনাবাহিনী বাইরে ক্রাউড কন্ট্রোলের দায়িত্ব পালন করেছে। পুলিশ বাহিনীও বাইরে অনেক সাপোর্ট দিয়েছে। সব মিলিয়ে ৪০টি বেশি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি এই আগুন নির্বাপণে কাজ করে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved © 2024 nagoriknewsbd
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: WhatHappen
jp-5d10b93919362ae286b3