বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ গড়তে সক্ষম। দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বিএনপিই জনগণের শেষ ভরসা।
সোমবার (১ ডিসেম্বর, ২০২৫) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক আলোচনা সভায় বা দলের এক অভ্যন্তরীণ বৈঠকে বিএনপি’র মহাসচিব (বা দলের জ্যেষ্ঠ নেতা) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর বক্তব্যে বর্তমান সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তাঁর মূল প্রতিশ্রুতির সারসংক্ষেপ নিম্নরূপ:
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার: তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে এখন কার্যত গণতন্ত্র অনুপস্থিত। বিএনপি ক্ষমতায় ফিরলে জনগণের মৌলিক ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করে একটি শক্তিশালী ও প্রকৃত গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে।
অর্থনৈতিক মুক্তি: দেশের অর্থনীতিকে ভুল পথে চালিত করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, বিএনপি একটি জনমুখী ও দূরদর্শী অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন করবে। এর মাধ্যমে দুর্নীতি দমন করা হবে, বিনিয়োগ বাড়ানো হবে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়িয়ে একটি সমৃদ্ধ অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করা হবে।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: তিনি অঙ্গীকার করেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার প্রশাসনসহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে, যা একটি আধুনিক ও কল্যাণকর রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য।
বিএনপির এই নেতা দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘গণতন্ত্রহীনতা এবং অর্থনৈতিক নৈরাজ্য’ আখ্যা দিয়ে বলেন, দেশের জনগণ এখন একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশায় আছে এবং বিএনপি সেই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।