1. admin@nagoriknewsbd.com : admin :
  2. nagoriknewsctg@gmail.com : Kamrul Hossain : Kamrul Hossain
  3. hossainkamrul92@gmail.com : Kamrul Hossain : Kamrul Hossain
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
টিকাদান কার্যক্রমকে শতভাগ সফল করতে হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত বিএডিসির ৬০২ কোটির সেচ প্রকল্প: কাজ না করেই বিল হরিলুট, পালালেন পিডি চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিদেশি অপারেটর দিয়ে পরিচালনার রেয়াতি চুক্তির খসড়া অনুমোদন মেঘনা পেট্রোলিয়ামে এজিএম রাশেদুলের ‘আলাদিনের চেরাগ’: ভুয়া সনদে চাকরি থেকে শুরু করে শত কোটি টাকার তেল চুরি ও দুর্নীতি! চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালির অভিযোগে ২০ দিনের কারাদণ্ড ঘুষের টাকাসহ সাব-রেজিস্ট্রার ও দুই সহযোগী আটক বাসের ভাড়া বাড়লো এখনো বহাল চট্টগ্রাম বন্দরের আলোচিত চেয়ারম্যান—খুঁটির জোর কোথায়? চকরিয়ায় বাদীসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা, প্রত্যাহারের দাবি এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে রাউজানে অবৈধ সার ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান

চট্টগ্রাম বন্দরের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্তদের তালিকায় ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম

রিপোটারের নাম
  • বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দরের ডেপুটি কনজারভেটর পদে নিয়োজিত ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম চট্টগ্রাম বন্দরের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে অন্যতম। বন্দরে জাহাজ মেরামত, জাহাজে জ্বালানি সরবরাহ থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক জাহাজের বর্থিং প্রদান, কর্মচারীদের বদলি এবং বাসা প্রদানে অনিয়মসহ তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। বিভিন্ন অনিয়মের জন্য গত ২২ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে তাকে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পায়রা বন্দরের বদলি করা হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী দোসর রিয়ার এডমিরাল সোহায়েল এর সহযোগিতায় পুনরায় ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে আগমন করে। চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পরপরই অঢেল অবৈধ সম্পত্তির পাহাড় গড়ে তোলে এবং অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়। এছাড়াও কর্মকর্তার নামে দায়িত্ব অবহেলার অনেক অভিযোগ পাওয়া যায় যার ফলে চট্টগ্রাম বন্দর কোটি কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তার বিরুদ্ধে নিম্নক্ত দায়িত্ব অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়।

গত ২৫/০৯/২০১৩ তারিখে ইন্দোনেশিয়ান জাহাজ এমভি গ্লেডিসকে জ্যেষ্ঠ পাইলটদের সুপারিশ উপেক্ষা করে ক্যাপ্টেন ফরিদের একক সিদ্ধান্তে বহি:নঙ্গর থেকে জাহাজটি বন্দরে ভিরানোর চেষ্টা করেন এতে জাহাজটি গ্রাউন্ডেড হয়। এই ঘটনায় তৎকালীন সদস্য (এ এন্ড পি) জনাব নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব-কে সভাপতি করে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। কমিটি ফরিদুল আলম কে দায়ী করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার সুপারিশ করেন।

তদন্ত কমিটি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ পায় যে, ২০১১ সালে ভিটিএমএস প্রকল্পে মন্ত্রণালয় কর্তৃক ডিপিপি সংশোধন ছাড়া এবং নিজে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার না হয়ে ২,০৮,৫৫.৭৭০ টাকার প্রাককলন তৈরি করেন এবং কাজ শেষ হবার ৩ মাস আগে বিল পরিশোধ করে দেন। তদন্ত কমিটি তাকে স্বেচ্ছাচারী কর্মকর্তা আখ্যা দিয়ে ঘটনার জন্য দায়ী করেন। তদন্ত কমিটি ক্যাপ্টেন ফরিদের মত দুর্নীতিবাজ ও খামখেয়ালিপূর্ণ কর্মকর্তাকে রাখা সমীচীন হবে না মর্মে উল্লেখ করে এবং তাকে তার পদ থেকে দ্রুত অপসারণ করার সুপারিশ করে। এই ঘটনায় তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। তিনি প্রায় এক বছর সাময়িক বরখাস্ত থাকেন। পরবর্তীতে তাকে চবক হতে পায়রা বন্দরে সংযুক্ত করে বদলি করা হয়।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved © 2024 nagoriknewsbd
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: WhatHappen
jp-5d10b93919362ae286b3