রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরের পর হেলিকপ্টারে বাহারছড়া সমুদ্রপাড়ে অবতরণ করলে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আগে থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ সমাবেশস্থলে জড়ো হন।
বাঁশখালী সফরের প্রথম পর্বে তিনি সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি ১০০টি গৃহহারা পরিবারের হাতে নতুন বাড়ির চাবি তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।
এরপর প্রধানমন্ত্রীর ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় যাওয়ার কর্মসূচি রয়েছে। সেখানে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।
পরে তিনি হাটহাজারীর আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন। একই দিনে হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ৩০টি পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণে এক লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা এবং ১৫ জন প্রতিবন্ধীর হাতে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
দিনের শেষ কর্মসূচিতে সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ হোটেলে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সভায় নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত থাকবেন। সেখানে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, রাত ৯টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম ত্যাগ করার কথা রয়েছে।