স্থানীয়দের মতে, ফটিকছড়ির সবচেয়ে বড় প্রয়োজন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামোর উন্নয়ন। বিশেষ করে একটি মানসম্মত মহিলা কলেজ, নতুন সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এবং শিল্পায়নের দাবি দীর্ঘদিনের।
উপজেলার সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফটিকছড়ির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হবে। তাঁর ভাষ্য, প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ থাকা সত্ত্বেও এখানকার মানুষ এখনো গ্যাস সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এছাড়া বিস্তীর্ণ খাস জমিকে কাজে লাগিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হলে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সফরসূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে ফটিকছড়ি পৌঁছে স্থানীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এরপর তিনি বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সেখানে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক দাবিও উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
এসব দাবির মধ্যে রয়েছে ফটিকছড়িতে ৫০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ, চট্টগ্রাম-নাজিরহাট-রামগড় রেললাইন চালু, নতুন বিদ্যুৎ গ্রিড স্থাপন, চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং বাবুনগর মাদ্রাসা সড়ক সম্প্রসারণ।
এদিকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও কয়েকটি জাতীয় ইস্যু প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের নেতারা অতীতের আলোচিত ঘটনাগুলোর বিচার নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন প্রণয়ন না করার আহ্বান জানাবেন বলে জানিয়েছেন।
সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে ফটিকছড়িবাসীর প্রত্যাশা এখন উন্নয়ন, অবকাঠামো এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এ সফরের মাধ্যমে উপজেলার দীর্ঘদিনের নানা সমস্যা সমাধানের পথ আরও সুগম হবে।