1. admin@nagoriknewsbd.com : admin :
  2. nagoriknewsctg@gmail.com : Kamrul Hossain : Kamrul Hossain
  3. hossainkamrul92@gmail.com : Kamrul Hossain : Kamrul Hossain
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
টিকাদান কার্যক্রমকে শতভাগ সফল করতে হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত বিএডিসির ৬০২ কোটির সেচ প্রকল্প: কাজ না করেই বিল হরিলুট, পালালেন পিডি চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিদেশি অপারেটর দিয়ে পরিচালনার রেয়াতি চুক্তির খসড়া অনুমোদন মেঘনা পেট্রোলিয়ামে এজিএম রাশেদুলের ‘আলাদিনের চেরাগ’: ভুয়া সনদে চাকরি থেকে শুরু করে শত কোটি টাকার তেল চুরি ও দুর্নীতি! চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালির অভিযোগে ২০ দিনের কারাদণ্ড ঘুষের টাকাসহ সাব-রেজিস্ট্রার ও দুই সহযোগী আটক বাসের ভাড়া বাড়লো এখনো বহাল চট্টগ্রাম বন্দরের আলোচিত চেয়ারম্যান—খুঁটির জোর কোথায়? চকরিয়ায় বাদীসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা, প্রত্যাহারের দাবি এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে রাউজানে অবৈধ সার ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান

বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলামের পাহাড়সম অবৈধ সম্পদ: নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যে শত কোটির সাম্রাজ্য

রিপোটারের নাম
  • সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

বন একাডেমির পরিচালকের পাহাড়সম অবৈধ সম্পদ: নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যে শত কোটির সাম্রাজ্য

বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | ৬ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক (বন সংরক্ষক) মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে উঠেছে পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগ। সরকারি চাকরির আড়ালে তিনি গড়ে তুলেছেন শত কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য। গাছ চুরি, ঘুষ বাণিজ্য, বদলি–পদোন্নতি বাণিজ্যের পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে অর্জিত এই সম্পদের বেশির ভাগই তিনি কৌশলে স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের নামে স্থানান্তর করেছেন বলে জানা গেছে।

অস্বাভাবিক সম্পদ ও গোপনীয়তার কৌশল :

অনুসন্ধানে জানা যায়, আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ কর্মজীবনে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। নিজের নামে উত্তরা ও কিশোরগঞ্জে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও ডুপ্লেক্স থাকলেও, আয়কর নথিতে তিনি এসব সম্পদের বড় একটি অংশ গোপন রেখেছেন। অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার উত্তরখান মৌজায় ২০ শতাংশ জমি এবং দিয়াবাড়িতে ১৬৫৪ বর্গফুটের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে তার। এছাড়া কিশোরগঞ্জ শহরেও রয়েছে তার আলিশান ডুপ্লেক্স বাড়ি। অথচ তার দাখিল করা ট্যাক্স ফাইলে এসব সম্পত্তির প্রকৃত তথ্য নেই।

দুর্নীতির নেপথ্যে ‘দিবা এন্টারপ্রাইজ’ :

অভিযুক্ত বন কর্মকর্তার দুর্নীতির একটি বড় মাধ্যম হিসেবে সামনে এসেছে ‘দিবা এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তার স্ত্রী ও শ্যালক নূরে আজম ভূঁইয়ার মাধ্যমে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি বন বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ হাতিয়ে নিত। এভাবেই সরকারি অর্থ নিজেদের পকেটে নেওয়ার পাশাপাশি কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে গড়িমসি:

দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪০৯ ধারা অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তার ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক দুর্নীতির দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। এছাড়া মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ ধারা অনুযায়ী অবৈধ সম্পদ অর্জনের শাস্তি অত্যন্ত কঠোর। এরপরও চট্টগ্রাম বন একাডেমির এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো অভিযোগ রয়েছে, তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক খুঁটির জোরে এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন।

সংশ্লিষ্টদের নীরবতা : এই প্রতিবেদনের জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও পরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম কল রিসিভ করেননি, এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তাতেও কোনো সাড়া দেননি। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের বন সংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমারের মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।
দুদক তদন্তের দাবি : বন সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, আমিনুল ইসলামের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির উৎস খুঁজে বের করতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর অবিলম্বে অনুসন্ধান চালানো প্রয়োজন। তারা মনে করছেন, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে এই বন কর্মকর্তার দুর্নীতির থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে এবং বেরিয়ে আসবে বন ধ্বংসের নেপথ্যে থাকা অশুভ শক্তির চিত্র।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved © 2024 nagoriknewsbd
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: WhatHappen
jp-5d10b93919362ae286b3